দেশকে যত দ্রুত নির্বাচনের ট্র্যাকে ওঠানো যাবে তত মঙ্গল: মির্জা ফখরুল

দেশকে যত দ্রুত নির্বাচনের ট্র্যাকে ওঠানো যাবে তত মঙ্গল: মির্জা ফখরুল

পঙ্​ক্তি ডেস্ক:  যত দ্রুত দেশকে নির্বাচনের ট্র্যাকে ওঠানো যাবে, ততই দেশের জন্য মঙ্গল’ বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার (৯ জুলাই) রাজধানীর নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস এবং অধ্যাপক সিরাজ উদ্দিন আহমেদকে দেখার পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘একটা নির্বাচিত সরকার দরকার, যে সরকারের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক থাকবে। সে কারণেই আমরা বলছি—যে সংস্কারগুলো, সেই সংস্কারে আমরা অংশ নিচ্ছি। প্রত্যেকটি সংস্কারের দাবি আমরাই তুলেছি। সুতরাং, সংস্কার এবং নির্বাচন এর মধ্যে কোনও সাংঘর্ষিকতা নেই। দুটি একসঙ্গে চলবে।”

বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্স অ্যান্ড হসপিটালে চিকিৎসাধীন অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুসকে দেখতে যান বিএনপি মহাসচিব। তিনি চিকিৎসকদের সঙ্গে তার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে অবহিত হন। দীর্ঘদিন ধরে অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস নিউরো সমস্যায় এ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এরপর একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অধ্যাপক সিরাজ উদ্দিন আহমেদকে দেখতে যান মির্জা ফখরুল এবং তার চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘আপনারা খুব ভালো করে জানেন, আওয়ামী লীগে সরকারের আমলে নির্যাতন-হত্যা-গুম-খুনের সবচেয়ে বড় ভিক্টিম আমাদের দল বিএনপি। আমার নামেও ১১২টা মামলা এবং আমার ১৩ বার জেলে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে।”

‘‘আমরা সব সময় মনে করি, যেসব রাজনৈতিক দল তাদের পক্ষে থাকবে, যারা তাদের পক্ষে কাজ করবে, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ করেছে—তাদের প্রত্যেক ব্যক্তির শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা উচিত এবং শাস্তি হওয়া উচিত।”

তিনি বলেন, ‘‘বিশেষ করে আওয়ামী লীগের প্রধান শেখ হাসিনা, তিনি এককভাবে আমি মনে করি, দ্য রেসপন্সিবল ফর দ্য কিলিং অব দ্য থাউজেন্টস অব পিপল। তার বিচার শুরু হয়েছে। আমরা আশাবাদী, তার এবং তার সঙ্গে যারা গণহত্যার সঙ্গে এবং তাদের  আক্রমণের সঙ্গে জড়িত, তাদের প্রত্যেকেরই বিচার হবে।

Share This