অবরুদ্ধ নগরভবন, বন্ধ সব ধরনের সেবা

অবরুদ্ধ নগরভবন, বন্ধ সব ধরনের সেবা

এদিকে এই আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী সাবেক সচিব মশিউর রহমান বলেন, সাধারণ নাগরিকদের যেন কোনও ধরনের ভোগান্তি না পোহাতে হয় তার জন্য আমরা পরিচ্ছন্নতা বিভাগের সব ধরনের কাজে সহযোগিতা করছি। তিনি আরও বলেন, ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে মেয়রের শপথ পড়ানো না হলে আমরা আবারও কঠিন থেকে কঠিনতর আন্দোলনে নামবো। আন্দোলনের মাধ্যমে ঢাকাবাসী তাকে মেয়রের পদে বসাবে।

ইশরাককে মেয়রের দায়িত্ব দেওয়ার দাবিতে গত ১৪ মে থেকে এই আন্দোলন শুরু হয়। আজও বেলা ১১টা থেকে নগর ভবনের বাইরে ও ভেতরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন তার সমর্থক ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের শ্রমিক ইউনিয়নের কর্মচারীদের একটি বড় অংশ।

নগরভবনে তালাভোগান্তিতে নগরবাসী

ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে মেয়র করার দাবিতে চলমান আন্দোলনের কারণে টানা ১৫ দিন ধরে নগরভবনে তালা ঝুলিয়ে রেখেছে তার সমর্থকরা। ফলে নগর ভবন কেন্দ্রিক সব ধরনের নাগরিক সেবা বন্ধ হয়ে যায়। নগরভবনের সেবা বন্ধ হওয়ায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের একাধিক বাসিন্দা। তারা বলেন, এই আন্দোলনের কারণে আমরা সেবা নেওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। কবে সঠিক সেবা পাবো তার নিশ্চয়তা নেই। শিগগরিই সরকারকে এই সমস্যা থেকে জনগণকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, উপদেষ্টার স্বেচ্ছাচারিতার কারণে ইশরাক হোসেন শপথ নিতে পারছেন না। আজ সাধারণ জনগণের যেই ভোগান্তি, নাগরিকরা যে সেবা পাচ্ছে না, তার জন্য দায়ী মূলত উপদেষ্টা। নাগরিক সেবার বিষয়ে ডিএসসিসির একজন কর্মকর্তা বলেন, এই আন্দোলনের ফলে গত ১৫ দিন জন্মনিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স, ট্যাক্স প্রধানসহ সব ধরনের উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ ও সেবাগুলো থেকে বঞ্চিত নগরবাসী। এই আন্দোলন যত দীর্ঘ হবে নগরবাসীর ভোগান্তিও তত বেশি হবে।

Share This