বিচারের আগ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ

বিচারের আগ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ

পঙ্​ক্তি ডেস্ক: সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। শনিবার (১০ মে) রাত ১১টার দিকে উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠক শেষে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এ তথ্য জানান।

১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে ছয় দফা আন্দোলন উত্থাপিত হয়। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় (১৯৬৮) শেখ মুজিবসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে পাকিস্তান ভাঙার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়, কিন্তু গণআন্দোলনের চাপে মুক্তি পান।
১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে ১৬৯টির মধ্যে ১৬৭টি আসন লাভ করে। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানায়। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণ শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে ঐতিহাসিক ভাষণে “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম” ঘোষণা দেন। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে প্রবাসী সরকার গঠিত হয় এবং ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। স্বাধীন দেশে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়।১৯৭৩ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আওয়ামী সরকার গঠন করে।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর একটি অংশ শেখ মুজিব ও তার পরিবারকে হত্যা করে। পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হয়।
১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা প্রথম (বঙ্গবন্ধুর কন্যা) আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি সামরিক শাসন (জিয়া-এরশাদ আমল)-বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিএনপির কাছে পরাজিত হলেও ১৯৯৬-এর জুনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফেরে। এরপর ২০০৯ থেকে টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতাসীন  ছিল আওয়ামী লীগ। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে।

Share This