এছাড়া নন-ক্যাডার পদে ৪৩তম বিসিএস থেকে ৬৪২ জন, ৪৪তম বিসিএসের ১৭৯১, ৪৫তম বিসিএসে ১৫৭০, ৪৬তম বিসিএসে ১১১১, ৪৭তম বিসিএসে ৩২৫ জনসহ ক্যাডার ও নন ক্যাডার পদে ১৮১৪৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বলেন, প্রশাসনে ১৫ বছরের একটা জঞ্জাল ছিল, সে কারণে অন্তর্বর্তী সরকার আসার পর প্রথম দিকে প্রশাসনে স্থবিরতা ছিল। যা এখন অনেকটাই কেটে গেছে। এখনও কিছুটা রয়ে গেছে, যা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা চলছে।
এক প্রশ্নর জবাবে তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার সময়সীমা ৩০ নভেম্বর থেকে বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। নতুন একটি পদ্ধতি হওয়ায় অনেকে জমা দেওয়ার কাজটি ঠিক করতে পারছেন না, সে জন্যই সময় বাড়ানো হয়েছে। এছাড়াও ডিসি নিয়োগ নিয়ে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগের সংবাদ প্রচার হয়েছে তা ভুল এবং মিথ্যা ছিল। এ ব্যাপারে তিন উপদেষ্টাকে নিয়ে একটি কমিটি করা হয়েছিল, কমিটি আমার বিরুদ্ধে আসা অভিযোগের সত্যতা পায়নি।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন সরকারি চাকরিতে নিয়োগ বন্ধ থাকায় কিছু পদে শুন্যস্থান তৈরি হয়েছিল। এছাড়া নতুন সরকার গঠনের পর অনেকে চাকরি ছেড়েও চলে গেছেন। সেজন্যই ক্যাডার এবং নন ক্যাডার মিলে এই সংখ্যক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কোটা নিয়ে সবশেষ হাইকোর্টের যে নির্দেশনা ছিল সে অনুযায়ী এসব পদের নিয়োগ দেওয়া হবে। ডেপুটি সেক্রেটারি থেকে যুগ্ম সচিব পদে, যুগ্ম সচিব থেকে অতিরিক্ত সচিব পদের পদোন্নতি দেওয়া হবে। নতুন ডিসি ফিটলিষ্ট শুরু হবে শিগগিরই। বঞ্চিত অতিরিক্ত সচিব যাদের চাকরির মেয়াদ এক থেকে দুই মাস আছে তাদের গ্রেড ১ দেওয়া হবে।