প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ করবো, আমাদের যত ক্ষমতা আছে। আপনারা আপনাদের ক্ষমতার সর্বোচ্চটা প্রয়োগ করবেন। ওপর থেকে কোনও চাপ এলে সেটা সহ্য করবো আমরা। আপনাদের কোনও চাপের মধ্যে থাকতে হবে না।
তিনি বলেন, আমরা ছেলেবেলায় পড়েছি, জেলা প্রশাসকরা হলো সরকারের চোখ, হাত এবং মুখ। এই ডিসিদের চোখ দিয়ে সরকার দেখে, মুখ দিয়ে সরকার বলে এবং হাত দিয়ে সরকার কাজ করে। কিন্তু এই চোখ, মুখ এবং হাত আজ নষ্ট হয়ে গেছে। সুতরাং মাঠ পর্যায়ে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ করতে হবে। কোনও ব্লেমিং গেম শোনা হবে না।
এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, যখন জাতীয় নির্বাচন হয়, জেলা প্রশাসকরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পুরো প্রসেসে আইনের প্রয়োগ থেকে শুরু হয়ে সবকিছুতে তাদের সম্পৃক্ততা থাকে। আমরা তাদের বলেছি, এই যে সামনে যে নির্বাচনটা আসছে, নিজ উদ্যোগে আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ করবেন। আমরা নির্বাচন কমিশন থেকে আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ করবো। আপনাদের যে ক্ষমতা আইন দিয়েছে এর সর্বোচ্চ প্রয়োগ করবেন।
ডিসিদের বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের ডিসিরা কিছু অসুবিধার কথা বলেছেন, পার্টিকুলারলি স্টোরেজ প্রবলেমের কথা বলেছেন। আর এনআইডি নিয়ে মানুষের হয়রানির কিছু কথা বলেছেন, আমরা এটা ক্লারিফাই করেছি। আমরা এগুলো অ্যাড্রেস করার জন্য পদক্ষেপ নিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, আমাদের কমিশনার স্পষ্ট ভাষায় আইন পড়ে শুনিয়েছেন। রিটার্নিং অফিসারা কী কী করতে পারেন এটা পড়ে তিনি শুনিয়েছেন। আমরা এই আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ এবং এই আইনের মাধ্যমে ফ্রি ফেয়ার অ্যান্ড ক্রেডিবল নির্বাচন দিতে চাই। আমরা যে ওয়াদা করেছি সেটার ১৬ আনা পালন করার নির্দেশনা ডিসিদের দেওয়া হয়েছে।