স্থানীয়রা জানান, সোমবার রাতের আঁধারে হঠাৎ করেই একটি ভেকু শহরের পৌর উদ্যানে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের মুক্তমঞ্চের পাশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছাড়াও সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান ও মুহাম্মদ মনসুর আলীর ম্যুরাল ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এর আগে, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের মুক্তমঞ্চের পাশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু ম্যুরালের দুই পাশ ভেঙে ফেলেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় পাশে থাকা জাতীয় চার নেতার ম্যুরালও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভীর আহাম্মেদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘পৌর উদ্যানে স্থাপিত ম্যুরাল ভাঙার বিষয়টি এখনও জানা নেই। স্থানটিও পরিদর্শন করা করা হয়নি।’
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের অফিস থেকে বলা হয়, পৌরসভার ম্যুরালের বিষয়ে ডিসি স্যার বক্তব্য দিতে পারবেন না। এটা আমার মনে হয় পৌরসভার দায়িত্বে যারা আছেন, ওনাদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘ম্যুরাল তো সব জায়গাতেই ভাঙা হয়েছে, এটা তো সবাই জানে। সব জায়গার ম্যুরালই ক্ষতিগ্রস্ত বা ভাঙা হয়েছে। আপনি একটু পৌরসভায় কথা বলেন।’
টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রশাসক (উপসচিব) মো. শিহাব রায়হান বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। ম্যুরালটি পৌরসভা থেকে ভাঙা হয়নি। এটি জেলা পরিষদ থেকে তৈরি করা হয়েছিল।’