মঙ্গলবার নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের ডিইপিজেড এলাকার ওই মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন শ্রমিকরা। এ সময় দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি চলবে বলেও জানান তারা।
বিক্ষোভরত শ্রমিকরা জানান, প্রায় চার বছর আগে ২০২১ সালে কোভিড-১৯-এর সময় বকেয়া বেতন ও শ্রম আইন অনুযায়ী ২৬(১) ধারায় পাওনাদি পরিশোধ না করে কারখানা বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। দিই-দিচ্ছি করে প্রায় চার বছর ধরে শ্রমিকদের সঙ্গে টালবাহানা করে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। সর্বশেষ আগামী ৩০ নভেম্বর তাদের পাওনাদি পরিশোধের তারিখ নির্ধারণ করা হলেও অনিশ্চয়তায় ভুগছেন শ্রমিকরা। চার বছর ধরে তারিখ নির্ধারণ করেও শ্রমিকদের কোন পাওনাদি পরিশোধ করা হয়নি। তাই নির্ধারিত তারিখে পাওনা পরিশোধের নিশ্চয়তা চেয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন শ্রমিকরা।
আন্দোলনরত শ্রমিক আয়শা আক্তার বলেন, ‘আমরা বেপজা কর্তৃপক্ষকে তিনটি দাবি দিয়েছিলাম। কিন্তু সেসব দাবি মানা হচ্ছে না। এর মধ্যে অন্যতম হলো, বেপজা চেয়ারম্যান অবরোধে উপস্থিত হয়ে আগামী ৩০ নভেম্বর শ্রমিকদের সব পাওনাদি পরিশোধের নিশ্চয়তা প্রদান করবেন। কিন্তু তিনি উপস্থিত হয়ে দুই মাসের মধ্যে কারখানা বিক্রি করে পাওনাদি পরিশোধের আশ্বাস দেন।’
এ ব্যাপারে শিল্প পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার সারোয়ার আলম বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি সমাধানের জন্য বলে আসছি। আজও আমরা দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনার ব্যবস্থা করেছি। আমরা আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।