
রবিবার চূড়ান্ত হবে ভোটের তারিখ!
পঙ্ক্তি ডেস্ক: ভোট হবে কিনা বা কবে হবে ভোট এমন সব নানা প্রশ্ন রয়েছে সাধারণ মানুষের মনে। এসব প্রশ্নের অবসান ঘটিয়ে ভোটের তারিখ চূড়ান্ত করতে আগামী রবিবার (৭ ডিসেম্বর) বৈঠকে বসবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছেন সংবাদ মাধ্যমকে নির্বাচন কমিশনার।
এদিকে জানা যায়, ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এক্ষেত্রে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এক-দুদিন পরে কিংবা ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে এক-দুদিন আগেও হতে পারে। অর্থাৎ মাঝামাঝি কোনও সময় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখেই শুরু থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে সরকার থেকে গণভোটের ঘোষণা আসায় অতিরিক্ত ব্যালট পেপার, অতিরিক্ত গোপন কক্ষ (ভোটদানের কক্ষ), বাজেট বৃদ্ধিসহ বেশ কিছু অতিরিক্ত প্রস্তুতি নিতে হয়েছে ভোট আয়োজনকারী সাংবিধানিক এ সংস্থাটিকে। ইতোমধ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদ, আইন-বিধি সংশোধন, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন, পর্যবেক্ষক নিবন্ধন, অধিকাংশ ছাপার কাজ শেষ করছে। অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপও শেষ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারের সব বিভাগের প্রধানদের সঙ্গে দুই দফা বৈঠক শেষ করেছ, এখন বাজেট নিয়ে আলোচনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এর আগে মক ভোটিংয়ের দিন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছিলেন, জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটও একই দিনে আয়োজন করতে হবে। এ জন্য সময় ব্যবস্থাপনা বড় চ্যালেঞ্জ। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সাধারণ ভোট এবং অতিরিক্ত গণভোট মিলিয়ে ভোটারপ্রতি সময় কত লাগবে—মক ভোটিংয়ের মাধ্যমে সেটাই যাচাই করা হচ্ছে। ৪২ হাজার ৫০০টির বেশি পোলিং স্টেশন যথেষ্ট কিনা বা অতিরিক্ত বুথ ও স্টেশন প্রয়োজন হবে কিনা তা আজকের রিয়েল-টাইম মূল্যায়নের ভিত্তিতেই ঠিক করা হবে। নতুন বুথ মানে অতিরিক্ত লোকবল, সরঞ্জাম ও ব্যবস্থাপনা—এসবই বাস্তব পর্যবেক্ষণ থেকে নির্ধারণ করা হবে।
সেসময় ভোটারদের দেড়ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, এটিও মূল্যায়নের অংশ। কোথায় ঘাটতি আছে, কোথায় পরিকল্পনায় ভুল ছিল—সেগুলো চিহ্নিত করে সংশোধন করা হবে। মানুষের কষ্ট বাড়ানো নয়, বরং সময় কমিয়ে সুবিধা নিশ্চিত করাই কমিশনের লক্ষ্য। খরচ কমানোই প্রধান উদ্দেশ নয়; প্রয়োজনে বুথ বাড়িয়ে সময় কমানো হবে।
